‘The honourable Prime Minister has provided a mass shelter project for the transgender and hijra people, by making specialized schools and employment facilities in the same project could help them for economic emancipation.’ said K. M. Tariqul Islam (Additional Secretory), Director General of NGO Bureau. While attending the relief distribution program in the capital organized by Bandhu Social Welfare Society (Bandhu). K. M. Tariqul Islam had inaugurated the relief distribution program for one thousand 1000 Transgender and Hijras in country wide. Also, Marufa Sultana Khan Hiramoni, Assistant Commissioner of DC office and Dr. Zhumana Ashrafi Sweety, Medical Officer from Civil Surgeon office were attending the relief distribution event as special guest.

The director general of NGO bureau of affairs also added, if we do not show compassion towards of this community, then it is not possible for the government to succeed the plans of sustainable development. We have to make sure that the people from Transgender and Hijra community can earn a fair livelihood. K. M. Tariqul Islam also commended, ‘The government is working towards fulfilling the prime minister’s pledge for this community’.

In third Phase, Bandhu arranged this relief program, which is usually carried out by individually and help for donor organizations. As a relief package Bandhu is providing- 10kg rice, 5kg potato, 1kg lentil, 1kg salt, 1kg oil, soap and masks to the people of the community.

Last one year, with the help of different donor organizations and individual, Bandhu has provided relief, financial aid and emergency healthcare support for 13,628 transgenders and hijras. And with networking of Bandhu additional 10,500 community members has received relief support from different GO and NGO organizations.

More than two decades, Bandhu Social Welfare Society (Bandhu) has been working towards improving the quality of life, providing healthcare services and human rights for gender diverse population in Bangladesh.

ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া জনগোষ্ঠীর জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, একই সঙ্গে বিশেষায়িত স্কুল ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ব্যবস্থা করলেই এই জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তি ঘটবে বলে মন্তব্য করেছেন এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক কে. এম. তারিকুল ইসলাম (অতিরিক্ত সচিব)। বন্ধু সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি (বন্ধু) আয়োজিত এক হাজার ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া জনগোষ্ঠীর মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করে এ সব কথা বলেন তিনি। রাজধানীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে এই ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলার সহকারি কমিশনার মারুফা সুলতানা খান হীরামনি এবং সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. ঝুমানা আশরাফী সুইটি।

এনজিও ব্যুরোর মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা হিজড়া জনোগোষ্ঠীর প্রতি মমত্ববোধ প্রকাশ করতে না পরলে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পূর্ণ হবেনা। এই জনগোষ্ঠীর মানুষ যেনো কর্মের মাধ্যমে আয় করতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গিকার বাস্তবায়নে সরকার এই জনগোষ্ঠীর জন্য কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

তৃতীয় ধাপে ব্যক্তিপর্যায় ও বিভিন্ন দাতা সংস্থার সহায়তায় সারাদেশের এক হাজার ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া জনগোষ্ঠীকে ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছে বন্ধু। ত্রাণ হিসেবে ১০ কেজি চাল, ৫ কেজি আলু, ১ কেজি করে ডাল, লবন, তেল, একটি সুগন্ধি সাবন এবং মাস্ক দেওয়া হচ্ছে। বিগত এক বছরে বিভিন্ন দাতা সংস্থার আর্থিক সহায়তা ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মোট ১৩ হাজার ৬২৮জন ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া জনগোষ্ঠীর হাতে ত্রাণ, আর্থিক প্রণোদনাসহ জরুরী স্বাস্থ্য-নিরাপত্তা সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে বন্ধু। আর বন্ধু’র পরোক্ষ সহযোগিতায় ত্রাণ ও জরুরী স্বাস্থ্য-নিরাপত্তা সামগ্রী পেয়েছে আরো ১০ হাজার ৫০০জন কমিউনিটি সদস্য।

দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা ও অধিকার রক্ষায় কাজ করছে বন্ধু সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি (বন্ধু)।

01 02 03 04 06