হিজড়া সন্তানরা যেনো পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারে এবং পারিবারিক নিরাপত্তা ও সম্পত্তির অংশ পায়, সেটা নিশ্চত করতে সুরক্ষা আইন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা খাতুন এনডিসি। বলেন, হিজড়াদের পরিবারে থাকা নিশ্চিত করা গেলে মানবাধিকার লঙ্ঘণের ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাবে। পারিবারিক বলয়ে থাকলে তাদের সুন্দর ভবিষ্যতও নিশ্চত হবে বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার দুপুরে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি (বন্ধু) আয়োজিত ‘সেফটি নেট প্রকল্পে হিজড়া জনগোষ্ঠীর আরো গ্রহণযোগ্য ও অর্থবহ অংশগ্রহণ’ বিষয়ক অনলাইন পরামর্শ সভায় এসব কথা বলেন তিনি। সেই সঙ্গে হিজড়া সনাক্তের জন্য পরীক্ষিকরণ হয়রানি বন্ধ করতে হবে বলেও জানান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান। হিজড়া সুরক্ষা আইনের খসড়া তৈরিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে সহায়তা করছে বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি (বন্ধু)। খসড়া আইন নিরীক্ষার জন্য শিগগিরই সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
পরামর্শক সভায় অংশ নিয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, হিজড়াদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ পরবর্তী কর্মসংস্থান তৈরির জন্য যে দশ হাজার টাকা দেওয়া হতো তা বাড়িয়ে পঞ্চাশ হাজার করে নতুন নীতিমালা করা হচ্ছে। বয়স্কভাতার জন্য বয়সসীমা কমিয়ে পঞ্চাশ থেকে ৩০ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। বলেন, এখন থেকে প্রয়োজন বিবেচনা করে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। অনুষ্ঠানে হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির বর্তমান চিত্র তুলে ধরেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সাইন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ বিল্লাল হোসেন। পরামর্শ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শেখ রফিকুল ইসলাম, সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক মো. সাব্বির ইমাম, বন্ধুর নির্বাহী পরিচালক সালেহ আহমেদ, হিজড়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ।
1